ব্যবসা কি বা ব্যবসা কাকে বলে

ব্যবসা কি বা ব্যবসা কাকে বলে = মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে উৎপাদন এবং বন্টনসহ সকল বৈধ অর্থনৈতিক কাজকে ব্যবসায় বলে। অর্থ্যাৎ জীবকি নির্বাহের জন্য পণ্য সামগ্রী উৎপাদন ও বন্টন করার সকল ধরনের বৈধ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকেই ব্যবসা বা কারবার বলে ।

ব্যবসা কি বা ব্যবসা কাকে বলে ?

মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বৈধ উপায়ে লেনদেন এবং অর্থ উপার্জন করাকে ব্যবসা বলে তা আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি । এবার চলুন দেখে নেওয়া যাক ব্যবসা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গের কথা ও সংজ্ঞা ।

ব্যবসায়ের কিছু সংজ্ঞা:

লুইস হেনরি ব্যবসা এর সংজ্ঞা দিয়েছেন : পণ্য ক্রয় এবং বিক্রয় এর মাধ্যমে সম্পদ উৎপাদন কিংবা অর্জনের দিকে পরিচালিত মানব কার্যকলাপই হলো ব্যবসা। 

স্টিফেনসন ব্যবসাকে সংজ্ঞায়িত করেছেন :  মানুষের চাহিদা, আকাঙ্ক্ষা ,সন্তুষ্টির মাধ্যমে মুনাফা অর্জন বা সম্পদ অর্জনের লক্ষ্যে নিয়মিত পণ্য ক্রয় এবং বিক্রয় করা হলো ব্যবসা।

ব্যবসায়ের মূল এবং প্রধান উদ্দেশ্য হলো মুনাফা অর্জন করা। একটি ব্যবসা এমন একটি সংস্থা বা সত্তা যার মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে পণ্য-দ্রব্য ও সেবা পরিষেবা ক্রয়- বিক্রয় এর কাজ করে থাকে। আশা করি ব্যবসা কি বা ব্যবসা কাকে বলে তা বন্ধুরা বুঝতে পেরেছেন । চলুন এবার ব্যবসার কিছু বৈশিষ্ট্য দেখে আসা যাক ।

 

ব্যবসা এর প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য কি ? What is the nature or characteristics of the business?

প্রকৃতি হল কোন বিষয়ের সাধারণ বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষভাবে নজর পড়ে স্বতন্ত্রধর্মী এমন কিছু। প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবসা একটি স্বতন্ত্র পেশা বা অর্থনৈতিক কাজ হিসেবে পণ্য উৎপাদন ও বন্টন এর সাথে সম্পর্কিত। তাই এর স্বতন্ত্র কিছু প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য সহজে অন্যান্য বৃদ্ধি থেকে একে ভিন্নতা দান করে । ব্যবসায়ের এরূপ প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো।

 

১. মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে: For the purpose of making profit

ব্যবসায়ের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এর গঠন ও পরিচালনার পেছনে ব্যবসায়ীর মুনাফা অর্জনের প্রত্যাশা থাকে। আয় থেকে খরচ যা থাকে তাই হল মুনাফা। কম দামে কিনে বা অল্প খরচে পণ্য সামগ্রী উৎপাদন করে তা অধিক মূল্যে বিক্রয়পূর্বক মুনাফা অর্জনের প্রচেষ্টায় ব্যবসা হিসেবে গণ্য। 

কেউ যদি নিজে ভোগের জন্য কিছু ক্রয় বা উৎপাদন করে তাহলে তা ব্যবসায় হিসেবে বিবেচিত হবে না। মা সন্তানের জন্য পোশাক তৈরি করলে তা ব্যবসা নয়। তবে মা যদি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে কাপড় কিনে পোশাক বানিয়ে বিক্রি করে তা ব্যবসা হবে ।

 

২. ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা: Risk and Uncertainty

ব্যবসায়ের সাথে ঝুঁকি এবং অনিশ্চয়তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ঝুঁকি হলো আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা এবং অনিশ্চয়তা হলো প্রত্যাশিত সব কিছু ঘটবে এমন না হওয়ার অবস্থা। মুনাফা অর্জনের আশাতেই ব্যবসায়ী ক্ষতির ঝুঁকি বহন করে থাকেন। তাই মুনাফাকে ঝুঁকি গ্রহণ এর পুরস্কার বলা হয়। 

বাজারে পণ্য সামগ্রীর দাম কমে যেতে পারে এবং প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই এরূপ ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার বোঝা মাথায় নিয়ে ব্যবসায়ীকে সবসময় পথ চলতে হয়। নির্দিষ্ট সুদে টাকা জমানো কিন্তু ব্যবসা নয়। কারণ এখানে কোন ধরনের ঝুঁকি নেই। কিন্তু কোথাও লাভ-ক্ষতির শর্তে অর্থ বিনিয়োগ করলে তা ব্যবসা হিসেবে গণ্য হবে। 

 

৩.লেনদেনের পৌনঃপুনিকতা: Recurrence of transactions

লেনদেনের পৌনঃপুনিকতা বলতে বুঝায় বারে বারে ক্রয় করে ও বিক্রি করে মুনাফা অর্জনের প্রয়াসকে বুঝানো হয়। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে লেনদেন বারে বারে বা অব্যাহতভাবে সম্পাদিত হয়ে থাকে। 

একজন আসবাবপত্র বিক্রেতা নিয়মিতভাবেই ফরমায়েশ মাফিক আসবাবপত্র তৈরি করে তা সরবরাহ করে। ফলে তার কাজ ব্যবসা হিসেবে গন্য হবে।কিন্তু কেউ যদি বাসার জন্য আসবাবপত্র কিনে তা পছন্দ না হওয়ায় বিক্রি করে তবে তা ব্যবসা হিসেবে গণ্য হবে না। 

কৃষক চাষের জন্য গরু কিনে সুবিধাজনক না হওয়ার কারণে বিক্রয় করে লাভ করেছে তবে এটা ব্যবসার মধ্যে পড়বে না। কিন্তু কৃষক যদি বারে বারে গরু ক্রয় করে বিক্রি করে লাভ করত তাহলে এটি ব্যবসা হত।

 

৪.আইনগত  বৈধতা: Legal validity

আইনগত বৈধতা বলতে বুঝায় আইন অনুযায়ী কোন কাজ অবৈধ না হওয়া। ব্যবসা একটি বৈধ পেশা। তাই ব্যবসা অবশ্যই আইনানুগ হতে হয়।ব্যবসায়ীর অন্যান্য উপাদানের উপস্থিতি থাকার পরও যদি কেউ অবৈধ এবং বে-আইনি কর্মকান্ড পরিচালনা করে তবে তার কাজকে ব্যবসায় বলা যায়না।  

কেউ যদি চোরাই পথে পণ্য এনে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গঠন করে সেখানে ব্যবসায়ীর অন্যান্য উপাদান যেমন: মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য, ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা, লেনদেনের পৌনঃপুনিকতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য থাকলেও এর উদ্দেশ্য বা কর্মকাণ্ডের আইনগত বৈধতা না থাকার কারণে তা ব্যবসা বলে বিবেচিত হবে না। 

 

৫.স্বাধীন পেশা বা বৃত্তি: Independent profession 

স্বাধীন পেশা বলতে এমন পেশাকে বোঝানো হয় যেখানে মালিক অন্যের অধীনে না থেকে নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। ব্যবসায় সকল সমাজেই স্বাধীন পেশা বা উপজীবিকা হিসেবে গণ্য। 

একজন ব্যবসায়ী নিজস্ব চিন্তা চেতনা অনুযায়ী ব্যবসা এর গঠন ও পরিচালনা করে। তার কাজে সে নিজেই সিদ্ধান্ত নেয়।এক্ষেত্রে সে অন্যের নির্দেশ মানতে বাধ্য নয়। অংশীদারি এবং অন্য ক্ষেত্রে মালিকগণ যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেই। 

তবে কোন শেয়ারহোল্ডার যদি কোম্পানিতে চাকরি করে সেক্ষেত্রে ব্যবসায়ী বা বিনিয়োগকারী থেকে তার চাকরিকে আলাদা করে দেখা হয়। চাকরিজীবী যেভাবে তার কাজ, পারিশ্রমিক, সময়, নানান কাজে বাধ্যতামূলক ভাবে অন্যের অধীন ব্যবসায়ী বা বিনিয়োগকারী তা নয়।

 

৬. উপযোগ ও সম্পদ সৃষ্টি: Utility and wealth creation

সকল সামাজিক ব্যবসায় উপযোগ ও উদ্ভিদ সৃষ্টির গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। উপযোগ বলতে কোন কিছুর অভাব পূরণের ক্ষমতাকে বোঝানো হয়। ব্যবসায় তার সকল কর্মকান্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের উপযোগ সৃষ্টি করে মানুষের অভাব পূরণে সচেষ্ট থাকে ।

ব্যবসায়ীর প্রধান শাখা শিল্পের মাধ্যমে পণ্যের রূপগত উপযোগ সৃষ্টি হয়। কাঠ থেকে আসবাবপত্র, লৌহ আকরিক থেকে ইস্পাত আবার ইস্পাত থেকে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তৈরি এভাবে প্রতিটা ক্ষেত্রে শিল্প নতুন নতুন উপযোগ সৃষ্টি করে। 

এতে প্রতিটি ক্ষেত্রে নতুন মূল্য যোগ হয়। এতে সম্পদের মূল্যায়ন বাড়ে। বাণিজ্য তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্তত্বগত ,অর্থগত ,ঝুঁকিগত ,স্থানগত ,কালগত ও জ্ঞানগত উপযোগ সৃষ্টি করে । 

 

ব্যবসা কত প্রকার ও কি কি?

মালিকানার ভিত্তিতে ব্যবসা পাঁচ প্রকার যেমন:

১. একমালিকানা ব্যবসায়

২. অংশীদারি ব্যবসা

৩. যৌথ মূলধনী ব্যবসা বা কোম্পানি সংগঠন 

৪.সমবায় সমিতি

৫. রাষ্ট্রীয় ব্যবসা 

মালিকানার ভিত্তিতে ব্যবসা পাঁচ প্রকার
মালিকানার ভিত্তিতে ব্যবসা পাঁচ প্রকার

১.একমালিকানা ব্যবসায়: Sole proprietorship business

একক মালিকানা গঠিত ও পরিচালিত সকল ব্যবসাকে একমালিকানা ব্যবসায় বলে। একক মালিকানা বলতে বোঝানো হয়েছে যে ব্যাবসায়ের শুধু একজন মাত্র মালিক। একমালিকানাকে ব্যবসায় সবচেয়ে প্রাচীনতম ব্যবসায় সংগঠন বলা হয়। কারণ একক মালিকানা ব্যবসার মাধ্যমে পৃথিবীতে ব্যবসায়ীক কার্যকলাপ শুরু হয়েছিল। তাই এক মালিকানা ব্যবসায় সংগঠনকে ব্যবসা জগতের মুরুব্বী হিসেবে গণ্য করা হয়।

যে কোন ব্যক্তি যেকোনো সময় অল্প মূলধন নিয়ে এক মালিকানা ব্যবসায় শুরু করতে পারেন। একজন  ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয় বলে এই ব্যবসায় মুনাফা বেশি পাওয়া যায় এবং সহজেই সফলতা পাওয়া সম্ভব।

 

২.অংশীদারি ব্যবসা: Partnership business

দুই বা ততোধিক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় একত্রিত হয়ে মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে চুক্তিবদ্ধ সম্পর্কের ভিত্তিতে একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক গঠিত ও পরিচালিত ব্যবসাকে অংশীদারি ব্যবসা বলে। সাধারণ অংশীদারি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ২০জন অংশীদার থাকতে হবে। অন্যদিকে ব্যাংকিং অংশীদার ব্যবসার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ২জন ও  সর্বোচ্চ ১০ জন অংশীদার প্রয়োজন।

একমালিকানা ব্যবসায়ের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে অধিক ব্যবসার সুবিধা কাজে লাগানোর জন্য এরূপ ব্যবসায়ের উদ্ভব। সবার সামর্থ্যকে একত্রিত করে তুলনামূলকভাবে বৃহদায়তন ব্যবসা গঠন ও পরিচালনা করা এর লক্ষ্য। সাধারণত অংশীদারি ব্যবসায়ের দায় অসীম হয়ে থাকে।

 

৩.যৌথ মূলধনী ব্যবসা: Joint ventures

একাধিক ব্যক্তি সহিত মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে কোম্পানির আইনের অধীনে যে ব্যবসা গঠন করে থাকে তাকে যৌথ মূলধনী ব্যবসা বলা হয়।

একমালিকানা ব্যবসা ও অংশীদারি ব্যবসায়ের মূলধন এর সীমাবদ্ধতা, স্থায়িত্বের সীমাবদ্ধতা, আইনগত সীমাবদ্ধতা এবং অসীম দায়ের ভার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কোম্পানি সংগঠন বা যৌথ মূলধনী ব্যবসায় সূচনা ঘটে। 

কোম্পানি সংগঠন হলো আইনগত সংগঠন যেটি কোম্পানি আইনের আওতায় গঠিত হয়ে থাকে। সর্বপ্রথম ব্রিটেনে কোম্পানি আইন পাস হয়েছে ১৮৪৪ সালে যা The joint stock company ACT-1844 নামে পরিচিত। এরপর ভারতে ১৯১৩ সালে কোম্পানি আইন পাশ হয়। এবং পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে আমাদের বাংলাদেশ কোম্পানি আইন সংস্কার করে।

 

৪. সমবায় সমিতি:Cooperative Societies

পারস্পারিক অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য সমশ্রেণীর সমমনা কতিপয় মানুষ সমবায় আইনের আওতায় যে প্রতিষ্ঠান গঠন ও পরিচালনা করে থাকে তাকে সমবায় সমিতি বলে।

সমবায় এর শাব্দিক অর্থ হলো সম্মিলিত কর্মপ্রচেষ্টায় কোন কিছু গড়ে তোলার প্রয়াস। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাওয়ার চিন্তা থেকেই মূলত সমবায় সংগঠনের উৎপত্তি । তুলনামূলকভাবে কম বৃত্ত সম্পূর্ণ শ্রেণি পেশার মানুষ নিজেদের স্বার্থে সঙ্গবদ্ধ হয়ে সমঅধিকারের ভিত্তিতে সমবায় আইনের আওতায় এই ধরনের সংগঠন গড়ে তোলেন। একতাই বল এর স্লোগানটি সমবায় সংগঠনের নীতিবাক্য।

 

৫. রাষ্ট্রীয় ব্যবসা:state business

রাষ্ট্রকর্তৃক গঠিত বা পরবর্তীতে জাতীয়করণকৃত কোনো ব্যবসায়ের মালিকানা, পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের অধীনে থাকলে তাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবসা বলে।

রাষ্ট্রীয় ব্যবসার মূল উদ্দেশ্য হলো জনকল্যাণ বা রাষ্ট্রীয় কল্যাণ সাধন করা। বেসরকারি ব্যক্তি পর্যায়ে যে সকল ব্যবসা গড়ে ওঠে তার মূল উদ্দেশ্য হলো মুনাফা অর্জন। এরূপ মুনাফা অর্থ চিন্তা অতিমাত্রায় ক্রিয়াশীল হলে সেক্ষেত্রে ক্রেতাসাধারণ বা জনগণের স্বার্থ ভিন্ন হতে পারে। 

তাছাড়া এমন অনেক ক্ষেত্রে থাকে যেখানে সরকারের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে রাষ্ট্রের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। 

 

আরো পড়ুন :

➡️ ব্যবস্থাপনার ধারণা ব্যাখা ।

পরিশেষে

ব্যবসা কি বা ব্যবসা কাকে বলে তা সম্পর্কে আজকের লেখায় আমরা বিস্তারিত জানলাম । সাথে ব্যবসায় কত প্রকার ও তা কি কি তাও জানতে পারলাম । এইচএসএসি পরীক্ষার্থীদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন । তাই মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ লিখাটি পড়লে আশা করা যায় পরীক্ষায় তোমরা এই বিষয়ে ভালোভাবে উত্তর করতে পারবে ।

নিয়মিত এই ধরনের ব্লগ পোষ্ট পেতে ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন । এবং নিয়মিত আপডেট পেতে সাবস্কাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

By Saifur Rahman Arif

আমি মোহাম্মাদ সাইফুর রহমান আরিফ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র । ব্যবস্থাপনার একজন ছাত্র হলেও বর্তমানে কিছুদিন যাবৎ আমি অনলাইনে লিখালিখি কাজের সাথে যুক্ত রয়েছি । এবং Goafta.com সাইটটির একজন আর্টিকেল রাইটার হিসাবে কাজ করছি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *