You are currently viewing ১২টি সেরা ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা – 12 Best small business idea 
১২টি সেরা ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা

১২টি সেরা ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা – 12 Best small business idea 

আসলামুআলাইকুম বন্ধুরা আজকে আপনাদের সাথে ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব ।  ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা অথবা ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে বিস্তারিত আর্টিকেল লিখলে তা অনেক দীর্ঘ হয়ে যাবে । 

 

তাই আজকের আর্টিকেলে এমন কিছু প্রফিটেবল ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা ও আইডিয়অ আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়েছে যা সত্যিকার অর্থেই আমাদের সমাজে লাভজনক ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা ।

 

আমাদের আজকের আর্টিকেলে শেয়ারকৃত প্রতিটি ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা ও আইডিয়া ইতিমধ্যে আমাদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত । 

 

অনেকেই এই ধরনের ব্যবসাগুলো করে ইতিমধ্যে সফলতা অর্জন করেছেন  তাই আপনি যদি ব্যবসায় নতুনত্ব ও সৃজনশীলতা প্রয়োগের মাধ্যমে পরিচালনা করতে পারেন তাহলে দ্রুত আপনার ক্ষুদ্র ব্যবসাটিকে একটি সফল ব্যবসায় হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন ।

 

আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা ব্যবসা শুরু করতে চান কিন্তু যথেষ্ট পরিমাণ পুঁজি না থাকার কারণে তাদের পছন্দনীয় ব্যবসাটি শুরু করতে পারছেন না ।  

 

তাদের জন্য আজকের ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা ও আইডিয়া নিয়ে লেখা এই আর্টিকেলটি অনেক হেল্পফুল হবে । তাই সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ রইল  ।

 

Table of Contents

ক্ষুদ্র ব্যবসা বলতে কি বুঝায় ?

ক্ষুদ্র ব্যবসা বলতে বুঝায় এমন ধরনের ব্যবসা যা আপনি খুব অল্প পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করে একটি ব্যবসা গড়ে তুলতে পারবেন । অর্থাৎ সাধারণ অর্থে ও সহজভাবে যদি বলি কোন ধরনের ছোট আকারের ব্যবসাকেই ক্ষুদ্র ব্যবসা বলা হয় । 

 

ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো বেশিরভাগ সময় একমালিকানাধীন ব্যবসা হয়ে থাকে ।  যার ফলে এইসব ব্যবসা পরিচালনায় অন্যান্য কোম্পানি ও যৌথমূলধনী ব্যবসার মতো জটিলতা দেখতে পাওয়া যায় না । এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়গুলোতে মালিক একাই ব্যবসার লাভ-লোকসান ভোগ করে থাকে । 

 

ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া ২০২২

সকল ব্যবসার মধ্যেই মুনাফা অর্জন করা যায় তবে একটি সঠিক ব্যবসার আইডিয়া সেটি ক্ষুদ্র হলেও তাকে যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে ভবিষ্যতে ব্যবসায়টিকে বড় আকার দেওয়া সম্ভব হবে ।  

 

তাই বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের সাথে কিছু জনপ্রিয় ও প্রফিটেবল ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে হাজির হয়েছি । ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেলটি  মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ পড়ুন । 

 

ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা ২০২২

  1.  কাচাঁমালের ক্ষুদ্র ব্যবসা
  2. খাবার হোটেল ও ফাস্টফুডের ক্ষুদ্র ব্যবসা
  3. কুলিং কর্ণার ও চায়ের দোকানের ব্যবসা
  4. মৌসুমি কাপড়ের ব্যবসা
  5. জুসের শপের ব্যবসা
  6. মোবাইল রিচার্জ ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা
  7. কফি শপের ব্যবসায়
  8. হাঁস – মুরগী ও মাছ চাষের ব্যবসা
  9. ছাদ বাগানের কৃষি ব্যবসা
  10. অনলাইনে শাড়ি ও টি শার্ট বিক্রি
  11. মোবাইল মেরামতে ব্যবসা
  12. যানবাহন ক্লিনিং ব্যবসা

 

এবার চলুন বন্ধুরা ক্ষুদ্র ব্যবসার এই আইডিয়াগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক ।  কিভাবে এই ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়াগুলোকে কাজে লাগিয়ে একটি সফল ব্যবসা গড়ে তোলা যায় ?

 

১/ কাচাঁমালের ক্ষুদ্র ব্যবসা

 

কাঁচামালের ব্যবসা অত্যন্ত প্রফিটেবল এবং চাহিদাযোগ্য একটি ব্যবসা ।  আমরা প্রতিদিন প্রচুর কাঁচামাল শাকসবজি খেয়ে থাকি  এছাড়াও বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ও রেস্টুরেন্টগুলোতে কাঁচামালের প্রচুর চাহিদা রয়েছে ।

 

তাই আপনি যদি সরাসরি কৃষক থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে খুচরা দামে শহরের বাজারে বিক্রি করতে পারেন তাহলে অধিক পরিমাণ লাভ করতে পারবেন । এছাড়াও আপনি বিভিন্ন ধরনের খুচরা বিক্রেতার নিকট কাঁচামাল সাপ্লাই দিয়েও এই ব্যবসাটি করতে পারেন ।

 

 

কাঁচামাল শাক-সবজিগুলো তুলনামূলক অন্যান্য পণ্যের ন্যায় কম দামে পণ্য হওয়ার কারণে এই ব্যবসাটি শুরু করতে আপনার তেমন বেশি মূলধন এর প্রয়োজন হবে না ।  অল্প পরিমাণ পুঁজি বিনিয়োগ করে কাঁচামালের ক্ষুদ্র ব্যবসাটি শুরু করা সম্ভব ।  

 

আজকের  ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকায় কাঁচামালের ক্ষুদ্র ব্যবসায়টি সবার উপরে রাখা হয়েছে কারণ এর বাজারে অনেক চাহিদা রয়েছে । এবং এই ব্যবসাটি শুরু করতে তেমন পুঁজি এর প্রয়োজন পড়ে না ।

 

আপনি মাত্র ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেই এই ধরনের একটি কাঁচামালের ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করে দিতে পারবেন । তবে কাঁচামালের ব্যবসা করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত লাভের আশায় পণ্য মজুদ করে রাখলে লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । 

 

কারণ কাঁচামাল দ্রুত পচনশীল একটি পণ্যদ্রব্য । তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন ন্যায্যমূল্যে  কাঁচামালগুলো বিক্রি করে দেওয়ার ।

 

২/ খাবার হোটেল ও ফাস্টফুডের ক্ষুদ্র ব্যবসা

 

খাবারের হোটেল এবং ফাস্টফুডের ব্যবসাও একটি প্রফিটেবল ব্যবসার আইডিয়া ।  জনবহুল ও শিল্প এলাকায় একটি খাবারের হোটেল অথবা ফাস্টফুডের দোকানের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করতে পারলে অল্প দিনেই লাভজনক স্থানে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব ।

 

আপনি খুব অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করেই খাবারের হোটেলের এই ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করতে পারবেন ।

 

আপনি যেহেতু ক্ষুদ্র আকারের খাবারের হোটেল ও ফাস্টফুডের ব্যবসা করবেন সেক্ষেত্রে আপনাকে তেমন লাইসেন্স ও আইনি জটিলতার  সম্মুখীন হতে হবে না ।

 

কিন্তু আপনি যদি শহর এলাকায় অথবা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় একটি ভাল মানের রেস্টুরেন্ট ও  ফাস্টফুডের ব্যবসা শুরু করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার কিছু লাইসেন্স ও অনুমতির প্রয়োজন হবে ।

 

 খাবার হোটেল ও ফাস্টফুডের ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করতে যা যা প্রয়োজন :

  •  ব্যবসার নামে একটি ট্রেড লাইসেন্স ।
  •  একটি ফায়ার লাইসেন্স ।
  •  ভ্যাট নাম্বার অথবা ভ্যাট সার্টিফিকেট থাকতে হবে ।
  •  খাবারের মান যেন স্বাস্থ্যকর হয় তার জন্য হেলথ সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে ।

 

এই ধরনের লাইসেন্সও সাটিফিকেটগুলো আপনি মিউনিসিপাল অফিসবাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (  বিএসটিআই ) থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন । এই ধরনের  লাইসেন্সগুলো সংগ্রহ করতে আপনাকে তাদের নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে আবেদন করতে হবে ।

 

রেস্টুরেন্ট ব্যবসার সফলতা দোকানের অবস্থান ও খাবারের এর উপর অনেকটা নির্ভর করে ।  তাই সঠিক স্থানে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা শুরু করার চেষ্টা করতে হবে । 

 

৩/কুলিং কর্ণার ও চায়ের দোকানের ব্যবসা

 

কুলিং কর্ণার ও চায়ের দোকানের ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।  আজকের ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকার মধ্যে কুলিং কর্ণার ও চায়ের দোকানের ব্যবসা আইডিয়াটিও অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা হিসেবে পরিচিত ।

 

ইতিমধ্যে গ্রামেগঞ্জে ও বাজারের মধ্যে প্রচুর কুলিং কর্ণার ও চায়ের দোকান আমরা দেখতে পাচ্ছি ।  এর কারণ এই ব্যবসাটি একটি ক্ষুদ্র ব্যবসা হলেও এতে রয়েছে প্রচুর লাভ ।  একটি চা দোকানের ব্যবসা শুরু করতে সর্বনিম্ন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা প্রয়োজন হতে পারে ।

 

চা বিক্রি করার পাশাপাশি আপনি বিভিন্ন ধরনের নাস্তাও বিক্রি করে অতিরিক্ত অর্থ আয় করতে পারবেন । 

 

রেস্টুরেন্ট ব্যবসার মতো কুলিং কর্ণার ও চায়ের দোকানের সফলতা নির্ভর করে থাকে দোকানের অবস্থানের উপর । আপনি যদি বাস ও ট্রেন স্টেশনগুলোতে এই ধরনের কুলিং কর্ণার ও চায়ের দোকান স্থাপন করতে পারেন সেক্ষেত্রে অধিক অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

 

আপনার চায়ের দোকানে আপনি বিভিন্ন প্রকারের চা রাখতে পারেন যেমন :  রং চা ( raw tea ), দুধ চা ( milk tea ), ব্ল্যাক টি ( black tea ), গ্রিন টি ( green tea ), হোয়াট টি ( white tea ) ইত্যাদি ।

 

৪/মৌসুমি কাপড়ের ব্যবসা

 

কাপড়ের ব্যবসা আমাদের বাংলাদেশ যে একটি লাভজনক ব্যবসা হবে আপনাকে নির্দিষ্ট করে তা বলার প্রয়োজন নেই । এর কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের রয়েছে শত শত গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি  এবং লক্ষ লক্ষ দক্ষ কর্মী ।

 

ইতিমধ্যে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্টানগুলো তাদের দক্ষতা প্রমাণ করে দেখিয়েছে ।  বাংলাদেশে বর্তমানে সারাবিশ্বে গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ।  তাহলে বুঝতে পারছেন বাংলাদেশ কাপড়ের ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া ।

 

তবে আপনি চাইলে এই কাপড়ের ব্যবসাটিকে মৌসুমী কাপড়ের ব্যবসা হিসেবে করতে পারেন ।  যেমন : গরমকালের সময় শীতবস্ত্রগুলো অল্প মূল্যে বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে তখন আপনি শীতের কাপড়গুলো ক্রয় করে মজুদ করে রাখতে পারেন । 

 

এবং শীতকালে এই কাপড়গুলো অধিক দামে বিক্রি করে বেশি মুনাফা আয় করতে পারেন । ঠিক একই পদ্ধতিতে আপনি শীতে গরমকালের পোশাক ক্রয় করে মজুদ করে রাখতে পারেন ।  এবং গরমকালে এইসব পোশাকগুলো অধিক দামে বিক্রি করতে পারেন ।

 

অল্প পুজিতে আপনি কাপড়ের এই ক্ষুদ্র ব্যবসাটি  শুরু করতে পারেন । আজকের  ক্ষুদ্র ব্যবসা তালিকার এই কাপড়ের ব্যবসা আইডিয়াটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে তা কমেন্ট করে জানাতে পারেন । 

 

৫/জুসের শপের ক্ষুদ্র ব্যবসা

 

বিভিন্ন ধরনের জুস তৈরি করার শপ দিয়ে একটি ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।  এটিও একটি মৌসুমি ব্যবসা বা সিজনাল ব্যবসা হিসেবে পরিচিত ।  বিশেষ করে গরমের সময় এই ধরনের ব্যবসা   প্রচুর লক্ষ করা যায় ।

 

অল্প পুজিতে লাভজনক একটি ব্যবসা যদি খুঁজে থাকেন তাহলে জুসের শপ দিয়ে এই ক্ষুদ্র ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন ।

 

জুসের ব্যবসা শুরু করতে আপনাকে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করতে হবে । যেমন : আপনি স্কুল ,কলেজ, ইউনিভার্সিটি, বাসে স্টেশন, ট্রেন স্টেশন, ও বিভিন্ন ধরনের পার্কের মধ্যে জুসের শপ দিতে পারেন ।

 

মাত্র ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে আপনি একটি জুসের ব্যবসা শুরু করে দিতে পারবেন ।  এবং এই ব্যবসায় করে আপনি প্রতিমাসে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন ।

 

৬/ মোবাইল রিচার্জ ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা

 

বর্তমানে আমাদের সবার হাতে হাতে মোবাইলফোন ও স্মার্টফোন রয়েছে ।  যোগাযোগের জন্য এই ইলেকট্রনিক ডিভাইসটি বর্তমানে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে ।  

 

যোগাযোগ ছাড়াও বর্তমানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমরা নানান ধরনের কাজ করতে পারি যেমন : সময় দেখা,  গান শোনা , ভিডিও দেখা , কথা বলা , টাকা লেনদেন করা ইত্যাদি কাজ এখন হাতে থাকা মোবাইলটি মাধ্যমে করা সম্ভব হচ্ছে  ।

 

এবং এই যোগাযোগ করার জন্য আমাদের মোবাইল ফোনটিতে ব্যালেন্স রিচার্জ করা প্রয়োজন হয়ে থাকে ।  যার ফলে এই রিচার্জের ব্যবসা দিন দিন জ্যামিতিক হারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ।  

 

তাই আপনি একটি শিল্প এলাকায় অথবা বাজার রয়েছে এমন স্থানে একটি মোবাইল রিচার্জের দোকান স্থাপন করতে পারেন । মোবাইল রিচার্জ এর পাশাপাশি আপনি বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ব্যাংকিং সেবাও দিতে পারেন ।  

 

যেমন :  বিকাশ, নগদ ও রকেট মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটরগুলোর সাহায্যে এই ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারেন ।

 

 এই মোবাইল রিচার্জ ও ব্যাংকিং শুরু করতে আপনার প্রয়োজন হবে :

  •  কয়েকটি ছোট মোবাইল  ও স্মার্টফোনের ।
  •  একটি দোকান , কয়েকটি টেবিল ও চেয়ারের ।
  •  ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হবে কিছু পুঁজি ।

 

তাহলে আপনি একটি মোবাইল রিচার্জ ও মোবাইল ব্যাংকিং এর ব্যবসা শুরু করে দিতে পারবেন ।  আজকের ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকার মধ্যে আমার কাছে মোবাইল রিচার্জ  ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসায় আইডিয়াটি অনেক ভালো লেগেছে । 

 

এবং ইতিমধ্যে এই ব্যবসায়গুলো করে অনেকেই সফলতা অর্জন করতে পেরেছে । তাই আপনিও এই ব্যবসাগুলো করে সফল হতে পারবেন ।

 

৭/কফি শপের ব্যবসায় ২০২২

 

কফি শপের ব্যবসাটিও অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া । এটি একটি নতুন ব্যবসা হিসেবে গড়ে উঠেছে । যেসব স্থানে মানুষের প্রচুর চলাচল রয়েছে সেখানে আপনি একটি কফিশপের ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।

 

আপনি আপনার কফিশপে ভালো মানের কফি ও  চা বিক্রি করতে পারেন ।  পাশাপাশি আপনি আপনার কফিশপে বিভিন্ন ধরনের আত্মউন্নয়নমূলক ও ভালো বইয়ের সংগ্রহ রাখতে পারেন । তাহলে আপনার কফিশপে মানুষজন বই পড়ার উদ্দেশ্যেও কফি পান করবে ।

 

অর্থাৎ সুন্দর একটি মনোরম পরিবেশ আপনার কফিশপে রাখার চেষ্টা করবেন ।  আপনার কফিশপের বাহিরে সুন্দর ফার্নিচার দিয়ে বসার সুবিধা রাখবেন ।

 

তবে আপনি যেহেতু অল্প পুজিতে কফিশপের ব্যবসাটি শুরু করবেন সে ক্ষেত্রে আপনি কফি এর মান এবং দোকানটি পরিপাটি করে রাখা চেষ্টা করবেন ।  তাহলে আপনি দেখবেন কফি শপের ব্যবসা করে ভালো অর্থ আয় করতে পারবেন ।

 

কফি বিক্রির পাশাপাশি আপনি বিভিন্ন ধরনের নাস্তাও বিক্রি করতে পারেন । তাহলে আপনি অতিরিক্ত কিছু অর্থ আপনার কফিশপ থেকে আয় করতে পারবেন । 

 

৮/ হাঁস – মুরগী ও মাছ চাষের ব্যবসা

 

আজকের ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা ও আইডিয়ার মধ্যে হাঁস-মুরগি ও মাছ চাষের ব্যবসা একটি জনপ্রিয় ও লাভজনক ব্যবসা ।  আপনি যদি গ্রামের দিকে বসবাস করে থাকেন সেক্ষেত্রে হাসঁ – মুরগির খামার  এর সাথে মাছও চাষ করতে পারেন । এই আইডিয়াটি আপনার জন্য উপযুক্ত একটি ব্যবসা হবে যদি গ্রামে বসবাস করেন ।

 

আপনার গ্রামের বাড়িতে যদি একটি পুকুর থাকে সেক্ষেত্রে আপনি পুকুরের উপরে মাচাংয়ের সাহায্যে হাঁস এবং মুরগি পালন এবং পুকুরের মধ্যে মাছ চাষ করতে পারেন ।  

 

এতে করে আপনি মাছের খাবারের খরচ কমাতে পারবেন এবং হাঁসগুলো পুকুরে বিচরণ করার কারণে মাছের দেহ দ্রুত বৃদ্ধি পাবে  । হাঁস-মুরগির উচ্ছিষ্টগুলো মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন ।

 

তাই বলা যায়, হাঁস-মুরগি ও মাছ চাষের সমন্বিত ব্যবসাটি একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া । তবে এই ব্যবসাটি শুরু করার পূর্বে অবশ্যই বিভিন্ন যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন । 

 

৯/ ছাদ বাগানের কৃষি ব্যবসা

 

আপনি যদি শহরের দিকে অবস্থান করে থাকেন  এবং কৃষি এর প্রতি যদি আপনার ভালোবাসা থাকে তাহলে আপনি আপনার বাড়ির ছাদে কৃষি ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।

 

আপনার ছাদের মধ্যে আপনি ছাদ বাগান করে কৃষি ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।  বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও ফল-ফলাদি আপনি বাড়ির ছাদে করতে পারেন । তবে ছাদে বাগানের ক্ষেত্রে চেষ্টা করতে হবে দামি ফলমূল চাষ করার । 

 

এটি একটি নতুন ও লাভজনক ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া ।  এই ব্যবসাটি শুরু করতে আপনার তেমন মূলধন বিনিয়োগ করা প্রয়োজন হবে না । 

 

১০/অনলাইনে শাড়ি ও টি শার্ট বিক্রি

 

ঘরে বসে অল্প টাকায় ব্যবসা করতে চাইলে আপনি অনলাইনে শাড়ি ও টি শার্ট বিক্রি করতে পারেন ।  পাইকারি কাপড়ের ব্যবসায়ীদের থেকে ভালো মানের শাড়ি ও টি-শার্ট ক্রয় করে তা অনলাইনের মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা চালাতে পারেন । 

 

 

বর্তমানে  কোটি কোটি মানুষ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সময় ব্যয় করছে ।  আপনি এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি অনলাইনে শাড়ি ও টি-শার্ট বিক্রির ব্যবসা শুরু করতে পারেন । 

 

বাংলাদেশের অনেক তরুণীরা ফেইসবুকের ভিডিও অপশনটি ব্যবহার করে ইতিমধ্যে অনলাইনে দারুন শাড়ি ব্যবসা করে যাচ্ছে । আবার অনেক তরুণদেরকে দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের এক কালারের টি শার্ট এর মধ্যে নানান রকমের লেখা ও ছবি প্রিন্ট করে বিক্রি করছে । 

 

এই ব্যবসাটি বর্তমানে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ।  তাই আজকের ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকায় অনলাইন শাড়ি ও টি শার্ট বিক্রি ব্যবসাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে । তাই আপনিও চাইলে অল্প মূলধন বিনিয়োগ করে একটি অনলাইন শাড়ি ও টি শার্ট বিক্রি ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।

 

 একটি অনলাইন শার্ট টি শার্ট বিক্রি ব্যবসা শুরু করতে আপনার প্রয়োজন হবে :

  •  একটি ফেইসবুক পেইজ অথবা একটি ওয়েবসাইট ।
  •  ইন্টারনেট কানেকশন যুক্ত একটি কম্পিউটার অথবা মোবাইল ফোন ।
  •  এবং ফেসবুকে  ভিডিও করার জন্য বিভিন্ন এক্সেসরিজ প্রয়োজন হতে পারে ।

 

১১/মোবাইল মেরামতে ব্যবসা ২০২২

 

বর্তমানে আমাদের সবার হাতে হাতে রয়েছে মোবাইলফোন ও স্মার্ট ফোন ।  বর্তমানে এই মোবাইল ফোনের প্রয়োজনীয়তা অনেক । বর্তমান আধুনিক যুগের একে অপরের সাথে যোগাযোগের জন্য এই মোবাইল ফোন ও স্মার্টফোনগুলো অপরিহার্য হয়ে উঠেছে ।

 

যার ফলে এর প্রচুর চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে বাজারে ।  কিন্তু ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলো যে কোন মুহূর্তে নষ্ট হয়ে যেতে পারে তাই এর মেরামত করা প্রয়োজন হয় ।  

 

তাই আপনি যদি মোবাইল মেরামত এর একটি ব্যবসা শুরু করতে পারেন তাহলে অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ভালো উপার্জন করতে পারবেন ।

 

মোবাইল ফোন মেরামত এর ব্যবসা শুরু করতে যা প্রয়োজন  :

 

  •  একটি দোকান যেখানে মোবাইল মেরামত সার্ভিস দেওয়া হবে  ।
  •  সিটি করপোরেশন এলাকায় হলে আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে ।
  •  ব্যবসা পরিচালনার জন্য পুজিঁ এর প্রয়োজন হবে ।
  • যেহেতু এটি একটি সার্ভিস ব্যবসা তাই আপনাকে এই কাজের উপর দক্ষ করে তুলতে হবে ।  এর জন্য আপনি কোন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে মোবাইল মেরামত ট্রেনিং নিতে পারেন ।

 

১২/ যানবাহন ক্লিনিং ব্যবসা – Vehicle cleaning business

 

ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকার মধ্যে আজকের সর্বশেষ ছোট ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়াটি হল যানবাহন অথবা পরিবহন ক্লিনিং ব্যবসা ।  এটি একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে গড়ে উঠেছে ।  আপনি রাস্তার পাশে এই ধরনের যানবাহন ক্লিনিং ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।

 

বিভিন্ন ধরনের মোটরসাইকেল, কার ও ট্রাক যানবাহন পরিষ্কার করে দেওয়ার বিপরীতে চার্জ আদায় করতে পারেন ।  

 

এছাড়াও যানবাহন ক্লিনিং এর পাশাপাশি পরিবহনের বিভিন্ন এক্সেসরিজ প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন । এতে করে আপনি যানবাহন ক্লিনিং ব্যবসার পাশাপাশি অধিক অর্থ উপার্জন আয় করতে পারবেন ।

 

যানবাহন ক্লিনিং ব্যবসা করার ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিবহনগুলোকে যত্ন সহকারে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে ।  এবং সততার সাথে কাজ করতে হবে যাতে গাড়ির কোন পার্টসের ক্ষতি না হয় । 

 

ক্ষুদ্র ব্যবসার সুবিধা – Small business benefits

 

বন্ধুরা এখন আমরা দেখে নিবো কয়েকটি ক্ষুদ্র ব্যবসার সুবিধাসমূহ ।  ক্ষুদ্র ব্যবসা অধিক জনপ্রিয় হয়ে ওঠা কারণগুলো নিচে দেওয়া হল ।

 

  • একটি ক্ষুদ্র ব্যবসা আপনি মাত্র ৫০০০ টাকা মূলধন বিনিয়োগ করে শুরু করতে পারবেন ।

 

  • ক্ষুদ্র ব্যবসায় অন্যান্য ব্যবসার মতো তেমন আইনগত জটিলতা নেই ।

 

  • বেশিরভাগ সময় ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো একমালিকানাধীন ব্যবসা হয়ে থাকে যার ফলে মালিককে ব্যবসা পরিচালনায় তেমন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় না । ক্ষুদ্র ব্যবসায় যেকোনো সময় মালিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে । 

 

  • ক্ষুদ্র ব্যবসায় কাস্টমারের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা যায় ।

 

  • ক্ষুদ্র ব্যবসায় কাস্টমারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা যায় যার ফলে ক্রেতার সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে । 

 

  • ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোতে মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে অন্যান্য ব্যবসার তুলনায় তেমন গুরুত্ব থাকেনা । যার ফলে ক্রেতা ও মালিক এর সম্পর্ক ভালো থাকে ।

 

  • ক্ষুদ্র ব্যবসায় যেকোনো স্থানে অল্প পুজিতে শুরু করা যায় ।  ইত্যাদি

 

 এমন আরো অনেক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসা করার ক্ষেত্রে ।

 

ক্ষুদ্র ব্যবসার অসুবিধা – Disadvantages of small business

 

  • ক্ষুদ্র ব্যবসায় মূলধন এর পরিমাণ কম থাকার কারণে প্রায় সময়ই ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে মূলধন স্বল্পতা লক্ষ্য করা যায় ।

 

  • ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো সম্পূর্ণভাবে মালিকের অস্তিত্বের উপর নির্ভর করে । যার ফলে কোন কারণে মালিকের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেলে বা মালিক দেওলিয়া হয়ে গেলে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।

 

  • ক্ষুদ্র ব্যবসায় মালিককে একাই সকল দায়ভার বহন করতে হয় । 

 

  • ক্ষুদ্র ব্যবসায় মালিক যদি কখনো খামখেয়ালীপনা করে থাকে সেক্ষেত্রে ব্যবসার শ্রমিক ও ক্রেতাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয় ।

 

এই অসুবিধাগুলো ছাড়াও আরো অনেক ছোট ছোট ক্ষুদ্র ব্যবসার অসুবিধা রয়েছে ।  এরপরও ক্ষুদ্র ব্যবসা সকলের নিকট অধিক জনপ্রিয় ।  

 

এবং এর প্রধান একটি কারণ হচ্ছে অল্প পুজিতে এই ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো শুরু করা যায় । এছাড়াও ক্ষুদ্র ব্যবসায় অন্যান্য ব্যবসার মতো তেমন আইনি জটিলতা নেই ।

 

গ্রামে ক্ষুদ্র ব্যবসা – Small business in the village

 

গ্রামে ক্ষুদ্র ব্যবসা করতে চাইলে আপনি গ্রাম থেকে পাইকারি দামে হাঁস, মুরগি ক্রয় করে শহরের বাজারে সরবরাহ করতে পারেন ।  এছাড়াও আপনার গ্রামে রয়েছে এমন পণ্য যা শহরে প্রচুর চাহিদা রয়েছে সেই পণ্য নিয়ে কাজ করতে পারেন ।

 

ইত্যাদি ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো আপনি গ্রামে বসে অল্প পুজি বিনিয়োগ দিয়ে শুরু করতে পারবেন ।

 

পরিশেষে – Conclusions

বন্ধুরা আজকের ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া আর্টিকেলটিতে আপনাদের সাথে ক্ষুদ্র ব্যবসা নিয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে । ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো কিভাবে শুরু করা যায় ?  

 

এবং আজকের ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকার আইডিয়াগুলোকে কাজে লাগিয়ে একটি ব্যবসা শুরু করতে কি পরিমাণ মূলধন প্রয়োজন হতে পারে ? ব্যবসা শুরু করতে কি কি উপকরণ ও লাইসেন্সের প্রয়োজন হতে পারে তা সম্পর্ক আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে ।

 

তাই আশা করি বন্ধুরা আমাদের আজকের ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা উপকৃত হয়েছেন ।  আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনাদের নিকট ভালো লেগে থাকলে ফেসবুক-টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করতে পারেন । 

 

এবং নিয়মিত ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আর্টিকেল ও ব্লগপোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইট Goafta.com  এর উপর চোখ রাখতে পারেন।

 

গ্রামের কয়েকটি লাভজনক ক্ষুদ্র ব্যবসা হল :

 ১/ শাক সবজির বীজ ও কীটনাশক সার বিক্রি  ব্যবসা ।
২/ ক্যাটারিং সার্ভিস ।
৩/ দুধের সাপ্লাই ব্যবসা ।
৪/ কৃষি যন্ত্রপাতি মেরামতের ব্যবসা ।
৫/ হস্তশিল্পের ব্যবসা ।
৬/ মাছের চাষের ব্যবসা ।
৭/ গবাদি পশু পালনের ব্যবসা ।
৮/ আধুনিক পদ্ধতিতে ফল-ফলাদির বাগান করা ।
৯/ বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা ।

MD Imran hossan

২০১৯ সাল থেকে যুক্ত আছি এই টেকনোলজির দুনিয়ার সাথে । যদিও আমার পড়াশোনা ব্যবসা ও বাণিজ্য নিয়ে । ওয়েবসাইট ডেভেলপ করে দেওয়ার পাশাপাশি বর্তমানে লিখালিখি ও ব্লগিং সেক্টর এর সাথে যুক্ত আছি । নিজের জ্ঞান কে অন্যদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছি Goafta.com ওয়েবসাইট । স্বপ্ন দেখছি একটি বিশ্বস্ত ব্যবসায়িক ব্লগ গড়ে তোলার । এবং নিজে যতটুকু জানি তা সবার কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার , তাতে যদি কারো শস্য পরিমাণও উপকার হয় তাতেই আমার প্রশান্তি |

This Post Has 4 Comments

Leave a Reply